একটি ছোট্ট গ্রামে নদীর ধারে বাস করত এক কিশোর

একটি ছোট্ট গ্রামে নদীর ধারে বাস করত এক কিশোর

একটি ছোট্ট গ্রামে নদীর ধারে বাস করত এক কিশোর, নাম তার রাহাত। পরিবারের আর্থিক অবস্থা খুব ভালো ছিল না। বাবা ছিলেন জেলে, মা বাড়িতে সেলাইয়ের কাজ করতেন। সংসার চলত কষ্টে, কিন্তু রাহাতের চোখে ছিল বড় কিছু করার স্বপ্ন।
গ্রামের স্কুলে পড়ার সময় অনেকেই তাকে নিয়ে হাসাহাসি করত—“এত গরিব ঘরের ছেলে আবার স্বপ্ন দেখে!” কিন্তু রাহাত চুপ করে থাকত। সে প্রতিদিন ভোরে উঠে নদীর ধারে বসে পড়াশোনা করত, কারণ বাড়িতে আলো-পর্যাপ্ত সুবিধা ছিল না।
একদিন স্কুলে পরীক্ষার ফল বের হলো। সবাই অবাক হয়ে দেখল, রাহাত পুরো স্কুলে প্রথম হয়েছে। কিন্তু সবচেয়ে বড় চমক তখনও বাকি ছিল। তার শিক্ষক তাকে ডেকে বললেন, “তুমি চাইলে ভালো কলেজে পড়তে পারবে, স্কলারশিপের সুযোগ আছে।”
রাহাতের চোখে পানি চলে এলো। সে জানত, এই সুযোগটাই তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।
কিন্তু পথ সহজ ছিল না। শহরে গিয়ে পড়াশোনা করা, খরচ জোগাড় করা—সবই ছিল কঠিন। অনেক সময় সে টিউশন করে নিজের খরচ চালিয়েছে, কখনো না খেয়ে থেকেছে, তবুও পড়া থামায়নি।
বছর কয়েক পরে, রাহাত দেশের একটি নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেল। আজ সে শুধু একজন সফল ছাত্র নয়, বরং গ্রামের অনেক গরিব শিক্ষার্থীর জন্য অনুপ্রেরণা।
সে প্রায়ই বলে—
“পরিস্থিতি কখনো শেষ কথা বলে না। শেষ কথা বলে তোমার চেষ্টা আর ধৈর্য।”
রাহা
← Previous Story Next Story →